তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাজার এখন আপনার হাতের নাগালে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাজারে যে আপনাকে যেতেই হবে এমন ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর দ্বারাই ক্রয়-বিক্রয় সম্ভব হচ্ছে ঘরে বসেই।

বিজ্ঞানের জয়যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ এই বিপণন কৌশল হয়ে উঠেছে ই-কমার্স। আর এ কাজে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। তবে নতুন উদ্যোক্তারা বা যাদের মধ্যে এমন কিছু গুনাবলি আছে, যেমন হস্তশিল্পে পারদর্শী, নকশি কাঁথা ও হাতের কাজ করা বস্ত্র, বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে বানানো শো পিস সহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন জিনিসপত্র্যাদি তৈরি করেন, বিভিন্নপ্রকার সুস্বাদু খাবার তৈরি করেন ইত্যাদি তাদের সেই সম্ভাবনাময় কাজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে অর্থনৈতিক ও বিপণন ব্যবস্থা। তাই অনেকের অনেক আগ্রহ বা ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও তাদের সেই পণ্য ও উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পারেন না। তাই আমারা আমাদের ক্রেতা পণ্য নামক একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেছি যেন তারা তাদের স্বপ্নের পথে এক ধাপ এগোতে পারেন । অনেকে শখের বসেও এরকম অনেক কিছুই করেন, তাদের জন্যও তাদেরই সেই কাজ হয়ে উঠবে বারতি আয়ের একটা ক্ষেত্র । যার সুযোগ করে দিবে চাহিদা স্থানীয় বাজার। চাহিদা স্থানীয় বাজার তাদের পণ্য সরাসরি নিজ এলাকায় মার্কেটিং করে বিক্রয় করার ব্যবস্থা করে। তবে যদি কারো পণ্য অনেক বেশী জনপ্রিয় হয় বা বেশী বিক্রি হয় তাহলে তার পণ্য সারা দেশেই প্রমোট করা হবে।

চাহিদা বেছে বেছে ভালো ও আকর্ষণীয় পণ্যগুলকেই এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে থাকে তাই ক্রেতাগণ সহযেই পছন্দ করবেন এবং ইউনিক কিছু জিনিস থাকবে আপনাদের সংগ্রহে।

পণ্য কিনতে কিংবা দেখতে হলে আপনাদের নিজ নিজ এলাকার বাজার ভিজিট করে ক্রেতা পণ্য নামক ক্যাটাগরি ব্রাউজ করুন তাহলেই আপনারা আপনাদের এলাকার এরকম বিভিন্ন পণ্য দেখতে পাবেন এবং কিনতে পারবেন সেখান থেকেই ।

অনেকের হয়তো অন্য কোন এলাকার বাজার এর পণ্য পছন্দ হতে পারে সে ক্ষেত্রেও রয়েছে ব্যবস্থা তবে এজন্য ডেলিভারি চার্জ একটু বেশী গুনতে হবে এবং অন্তত ৩ দিনের সময় দিতে হবে আমাদের (শুধুমাত্র তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে ৩ দিন, তৈরি করে নিতে হলে এর বেশীও সময় লাগতে পারে) এবং রান্না বা খাবার পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা চাহিদা প্রদান করে না।